1. [email protected] : mailasiasuperadmin :
  2. [email protected] : Moynul Abedin Sumon : Moynul Abedin Sumon
বিএনপির হামলায় আহত বরগুনার সেই রাসেলের বাড়িতে জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা - mailAsia.News
শনিবার, ১৮ মার্চ ২০২৩, ১২:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম :

বিএনপির হামলায় আহত বরগুনার সেই রাসেলের বাড়িতে জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা

সংবাদদাতা
  • আপলোড এর সময় : শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৩৪ বার দেথা হয়েছে

 

পাথরঘাটা প্রতিনিধিঃ

বরগুনা ২ আসনের সংসদসদস্য নূরুল ইসলাম মনির সমর্থকদের আঘাতে আহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সেই রাসেলকে শান্তনা দিতে তার গ্রামের বাড়িতে ছুটে গেলেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফারজানা সবুর রুমকি।

 

চলতি মাসের শুরুতে পাথরঘাটা উপজেলায় বিএনপির নির্ধারিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে এই হামলার ঘটনা ঘটেছিলো। সেদিনের হামলায় দলের কর্মী মোঃ রাসেলের ডান হাত ভেঙে যায়। ঘটনার ১০দিন পরে আজ স্থানীয় ৪ জন ইউপি চেয়ারম্যান এবং বহু নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে পাথরঘাটার কাকচিরা বাজার সংলগ্ন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মুজিবুর রহমান কনক মিয়ার বাড়ীতে বিকেল ৪টার সময় পৌঁছে কনক মিয়ার ভাতিজা আহত রাসেলকে শান্তনা দেন ফারজানা সবুর রুমকি। রুমকি বরগুনা ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সবুর টুলুর মেয়ে। জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রুমকির আগমনে সেই মুক্তিযোদ্বার বাড়িতে সহস্রাধিক স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীর উপস্থিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায় বিএনপি- আওয়ামী লীগের সমাবেশকে কেন্দ্র করে দুইগ্রুপের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছিলো এমাসের ৪ সেপ্টেম্বর পাথরঘাটা-মঠবারিয়া সংযোগ সড়ক সিএন্ডবি এলাকায় এই সংঘর্ষে রায়হানপুর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মজিবুর রহমান কনকের ভাতিজা মোঃ রাসেল ভাসানী প্রতিপক্ষ বিএনপি কর্মীদের আঘাতে ব্যপকভাবে আহত হয়েছিলো। ২০২৩ সালের সংসদ নির্বাচনকে টার্গেট করে বরগুনা ২ আসনে রাজনৈতিক দখলদারিত্ব নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছিলো।

আহত রাসেলের অভিযোগ সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি ৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে পাথরঘাটা উপজেলার বিএনপির কর্মীদের লাঠিসোটা নিয়ে তার আগমন স্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তার নির্দেশনা মোতাবেক বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা সেখানে সশস্ত্র উপস্থিত হয়ে পরিকল্পিত ভাবে নিরস্ত্র নিরীহ আওয়ামী লীগের কর্মীদের আঘাত করতে শুরু করে। সাবেক সাংসদ নুরুল ইসলাম মনি সমাবেশের একদিন আগে ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে পাথরঘাটার উদ্দেশ্য রওনা দিয়ে সড়কপথে যাচ্ছিলেন। বিকেল ৪টার সময় পাথরঘাটা উপজেলার ভূমি সীমানায় পৌঁছানোমাত্রই সেখানে আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুই গ্রুপের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সেই সংঘর্ষ সবচেয়ে বেশি আহতদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের একজন মোঃ রাসেল।

 

সেদিন পাথরঘাটায় নুরুল ইসলাম মনির প্রবেশ ঠেকাতে বাঁধা দেয় আওয়ামী লীগ নেতা এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কাকচিড়ার চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন পল্টু। পল্টু তার দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে নুরুল ইসলাম মনির প্রবেশ পথে বিক্ষোভ করে। পল্টু বলছেন বিএনপি এভাবে অস্ত্র এবং লাঠিসোটা নিয়ে উপস্থিত থাকবে তা আমারা বুঝতেই পারিনি। পূর্বপ্রস্তুতি নেয়া বিএনপি নেতা কর্মীরা আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পরে। তখন বিএনপির এক কর্মী লাঠি দিয়ে সর্বপ্রথম আঘাত করে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এই পল্টুর মাথায়। তাৎক্ষণিক জ্ঞান হারিয়ে যায় ওই চেয়ারম্যানের। সেসময় আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী তাদের মোটরসাইকেল রেখে দৌড়ে সড়কের পাশে জলাশয় পরে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগের কর্মীদের পিছুটান দেখে বিএনপির কর্মীরা সড়কে পরে থাকা শত-শত মোটরসাইকেল পিটিয়ে ভেঙে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলো।

 

News Desk/ WE

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ
© All Rights Reserved © 2022
Development Cyber Planet BD